ভাঙতে হচ্ছে চড়ুইপাখির আস্তানা কিন্তু ওদের কি হবে

hgu3001.jpg

এম এ মান্নান :
বৃহত্তর স্বার্থে ভাঙতে হচ্ছে ময়মনসিংহের ফুলপুর বাসস্ট্যান্ডের চড়ুইপাখির আস্তানা কিন্তু ওদের কি হবে? এসব গাছের ডালে ডালে পাতায় পাতায় হাজারো চড়ুইপাখি বসবাস করতো। সকাল ও সন্ধায় ওদের কিচিরমিচির আওয়াজে মুখরিত থাকতো বাসস্ট্যান্ড। এত অসংখ্য পরিমাণ চড়ুইপাখির এখন কি হবে? ওরা এখন কোথায় বসবাস করবে? মৎস ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ সে বিষয়ে কোন কিছু ভাবছেন কি? আজ শনিবার সকালে যখন খাদ্য আহরণে ওরা বাসা থেকে বা ওদের থাকার এসব গাছ থেকে মাঠে গেলো ঠিক তখনই ভেঙে দেওয়া হলো ওদের আস্তানা। কিন্তু মাঠ থেকে ফিরে ওরা আজ সন্ধায় কোথায় উঠবে? কোথায় গড়বে নতুন বাসস্থান? বাসস্ট্যান্ডে এত পাখির আনাগোনা কেন ছিল? অন্যান্য জায়গাতেও তো গাছগাছালি আছে। ওইসব জায়গায় আস্তানা না করে কেনইবা ওরা এখানে সবাই জমায়েত হয়েছিল? এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বাসস্ট্যান্ডের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হয়। নূর স্টোরের রফিকুল ইসলাম ও আরো কয়েকজন ব্যবসায়ী ধারণা করে বলেন, এখানে ওরা নিজেদেরকে নিরাপদ ভেবেছে। কেউ কোন দিন ওদের গায়ে কোন ঢিল মারেনি এবং ব্যবসায়ীরা ও পাহারাদাররা অন্য কোন শিকারীকেও এখানে কোন পাখি শিকার করতে দেননি। ফলে ওরা এখানে নিজেদেরকে খুবই নিরাপদ ভাবতো এবং এখানে থাকতো। কিন্তু এখন ওরা কোথায় থাকবে? যেখানে থাকবে সেই জায়গাটা কি এরকম নিরাপদ হবে? এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের কোন কিছু করণীয় আছে কি?

Share this post

PinIt
scroll to top