উচ্ছেদ অভিযানের মধ্য দিয়েই পূরণ হতে যাচ্ছে ফুলপুরবাসীর কাঙ্খিত স্বপ্ন

magis3525.jpg

এম এ মান্নান :
ময়মনসিংহের ফুলপুরে বালিয়া রোড মোড় থেকে শুরু করে, ফুলপুর সরকারি কলেজ রোড মোড়, বাসস্ট্যান্ড, থানা রোড মোড় ও শেরপুর রোড মোড়ের আশপাশ এলাকাসহ ঢাকা-শেরপুর মহাসড়কের ফুলপুর অংশের দুই পাশের ফলের দোকান, কাপড়ের দোকান, হোটেল, পান দোকান ও চা স্টলসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ প্রায় ২শ দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

প্রায় সপ্তাহখানেক আগে এ অভিযানের ঘোষণা দেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার ওই ঘোষণা দেন। এরপর থেকে দোকানদাররা তাদের মালামাল সরাতে থাকে। মাঝখানে কদিন স্থগিত রাখার পর রবিবার অফিসিয়ালি সকাল ৮টা থেকে ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে দিনব্যাপী ওই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হলেও কার্যত: ফজরের আগে থেকেই নিজস্ব উদ্যোগে চলছিল উচ্ছেদ।

বরাবরের ন্যায় এবারের উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এতটা মনোক্ষুন্ন হয়নি। কারণ, এ অভিযানের মধ্য দিয়ে শিগগিরই পূরণ হতে যাচ্ছে ফুলপুরবাসীর কাঙ্খিত স্বপ্ন। আগের ১৮ ফুট রাস্তার সাথে আরো ১৬ ফুট বর্ধিত করে ৩৪ ফুট বিশিষ্ট রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে বা মহাসড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

আমুয়াকান্দা ব্রিজের সাথে আরেকটি ব্রিজের কাজ ইতোমধ্যে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে এবং চলছে। এতে যানজট নিরসন হবে। জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান বলেন,

রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে প্রশস্ত করার পাশাপাশি ফুলপুরে একটি বাসস্ট্যান্ডের অভাবও পূরণ করা হবে। বাসস্ট্যান্ডের অভাব পূরণে থাকছে ১০ ফুট প্রস্থ ও ২শ ২৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট বাস লেন এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন কর্মসূচি। এসময় জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরো চমকের আভাস দিয়ে বলেন, বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

ফুলপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহযোগিতায় বোল্ড ড্রেজার দিয়ে অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার, ওসি ইমারত হোসেন গাজী, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাইন উদ্দিন প্রমুখ।

Share this post

PinIt
scroll to top