বহু বছর পর আবারো পাটচাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা

Jute-2.jpg

এম এ মান্নান:
এক সময় পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হতো। পাট রপ্তানী করে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতো। পরে পলিথিন জাতীয় জিনিসপত্র বাজার দখলে নিয়ে গেলে পাটের বাজারে ধ্বস নামে। এরপর থেকে পাটচাষীরা পাট চাষ করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। সম্প্রতি সরকার পলিথিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে বাজারে আবারো পাট জাতীয় পণ্যের চাহিদা বাড়ে। এবং পাটের দরও বাড়ে। তাই বহু বছর পর পাটচাষে আবারো আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কৃষকরা। পাট জাতীয় পণ্য ও পাটের দাম বাড়ায় এবার নতুন নতুন এলাকায় পাটচাষ করা হয়েছে। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার পূর্ব নড়াইল গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, আমি ৫কাঠা জমিতে পাট চাষ করেছিলাম। মোটামুটি ভালই হয়েছে। আশা করছি খরচ বাদে লাভের মুখ দেখতে পাব। একই গ্রামের কৃষক তাফাজ্জল হোসেন বলেন, আমি ১৩ কাঠা জমিতে পাট করেছিলাম। আল্লাহর রহমতে বাম্পার ফলন হয়েছে। শুনতেছি বাজারে পাটের মণ ২২/২৩শ টাকা। এছাড়া পাটশলারও চাহিদা রয়েছে। যদি ঠিকমত দর পাই তাহলে আগামী বছর আরো বেশি জমিতে পাট চাষ করার নিয়ত আছে।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top