ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রভাষক শাহ ফারুক আহাম্মদ জুয়েলের জানাজা সম্পন্ন

Shah-Faruk-Ahmad-Juel.jpg

এম এ মান্নান :
ময়মনসিংহ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ফুলপুর কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের বার বার নির্বাচিত প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ফুলপুর সিটি স্কুলের পরিচালক মরহুম সুবেদার শাহ শামছুদ্দিন আহাম্মদের বড়ছেলে বিশিষ্ট শিক্ষাণুরাগী শাহ ফারুক আহাম্মদ জুয়েলের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে জানাজায় মুসল্লিদের ঢল নামে। শুক্রবার রাত ১০টা ১মিনিটে শুরু হয়ে ১০টা ৪মিনিটে হরিণাদী এমদাদিয়া ফাযিল মাদরাসা ময়দানে তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজাপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, হরিণাদী এমদাদিয়া ফাযিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা নূর আহমাদ, হাফেজ শাহ জাহান সিরাজী, হোসেনপুর কলেজের অধ্যক্ষ শাহ মোহাম্মদ আলী, ছনধরা হাজী আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, ফুলপুর কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি সানবীম ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান ফরাজী, আবুল কালাম আজাদ, শফিউদ্দিন, সুলতান আহমাদ, কাজল মিয়া, মরহুমের ছোট ভাই লাভলু, মরহুমের একমাত্র ছেলে ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র মাশফিক আহমাদ প্রমুখ। রমিজুল ইসলামের উপস্থাপনায় জানাজায় ইমামতি করেন মরহুমের স্ত্রীর বড় বোনের ছেলে মশিউর রহমান। বক্তারা মরহুম শাহ ফারুক আহাম্মদ জুয়েলের ভুয়ূষী প্রশংসা করে বলেন, ঘরে জুয়েলের মত একটা ছেলে থাকলে না খেয়ে থাকলেও শান্তি লাগবে। জুয়েল ছিলেন মেরিগাই এলাকার গর্ব ও অহংকার। তিনি ১৯৯৮ সনে ফুলপুরের কিন্ডারগার্টেন স্কুল শিক্ষকদের ঐক্যবদ্ধ করে ‘ফুলপুর কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন’ নামে একটি এসোসিয়েশন গড়ে তুলেছিলেন। আজীবন তিনি এর সভাপতি ছিলেন। এছাড়া ময়মনসিংহস্থ ফুলপুর সমিতির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। জুয়েল দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। ২০১১ সনে ভারতে গিয়ে চিকিৎসা নেন তিনি। তখন তার দুটো কিডনিই নষ্ট হয়ে গেলে মমতাময়ী মা আমেনা তাকে একটি কিডনি দান করেন। এতে তিনি সুস্থ্য হয়ে উঠেছিলেন। অবশেষে গত সোমবার তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা কিডনি হাসপাতালের আইসিইউ বেডে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর তাকে বাঁচানো যায়নি। শুক্রবার মুয়াজ্জিন যখন জুমার নামাজের আযান দিচ্ছিলেন তখন তিনি শেষ বিদায় নেন। তিনি অত্যন্ত নম্র ভদ্র ও অমায়িক ব্যবহারের মানুষ ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও এক ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। নামাজে জানাজাশেষে তাকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। ছেলে মাশফিক বক্তব্যে তার বাবার রূহের মাগফিরাত কামনা করে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেন। ছবি: জানাজাপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন, একমাত্র ছেলে মাশফিক আহমাদ। ইনসেটে শাহ ফারুক আহাম্মদ জুয়েল।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top