সাংবাদিক মোস্তফার নিউজে সরকারি সহায়তা পেল করোনায় মৃত আব্দুল কাদিরের পরিবার

Phulpur-A-Qadir.jpg

এম এ মান্নান :
দৈনিক কালের কণ্ঠের ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি বিশিষ্ট সাংবাদিক মোস্তফা খান ও সাংবাদিক জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র কালের কণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি নিয়ামুল কবীর সজল কর্তৃক ফুলপুরে করোনায় প্রথম মৃত কাইচাপুর গ্রামের আব্দুল কাদিরের অসহায় পরিবারকে নিয়ে’দুই বেলা খাবারও জোটে না কাদেরের অসহায় পরিবারে’ শিরোনামে ১২ জুলাই লেখা একটি নিউজে চোখ খুলে প্রশাসনের। পরে মৃত আব্দুল কাদিরের অসহায় স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৩০) ও বৃদ্ধা মা হালিমা খাতুনকে বিধবা ভাতার কার্ড প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। এর আগে বিধবা নাসিমা ও বৃদ্ধা হালিমা আব্দুল কাদিরের দুই ছেলে হায়াতুর (১০) ও আলাল (৮) কে নিয়ে অন্যের আশ্রয়ে খেয়ে না খেয়ে কোনমতে দিনাতিপাত করে আসছিল। কালের কণ্ঠে নিউজ পাবলিশ হওয়ার পর পথ খুলে যায় তাদের। পরিবারটি পায় ভাতা কার্ড ও বাঁচার একটু অবলম্বন। এতে তারা পুলকিত হয় প্রশাসনের প্রতি। আব্দুল কাদির ছিল তার পরিবারের আয় রোজগারের একমাত্র ব্যক্তি। গত ১৬ এপ্রিল তার মৃত্যুতে পরিবারটি একেবারে ভেঙে পড়েছিল এমনকি পথে বসার উপক্রম হয়েছিল। এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে টুকটাক চাল ডাল দেওয়া হলেও চলার জন্য স্থায়ী কোন ব্যবস্থা ছিল না। কালের কণ্ঠের নিউজে উপজেলা প্রশাসন তৎপর হন এবং আব্দুল কাদিরের পরিবারের জন্যে সামান্য হলেও একটা স্থায়ী ব্যবস্থা করেন। এতে এলাকাবাসীও প্রশাসনের ভূঁয়ূষী প্রশংসা করেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার আব্দুল কাদিরের বাড়িতে গিয়ে নিজ হাতে তাদেরকে ভাতা কার্ড দিয়ে আসেন। কার্ড দেওয়ার সময় তিনি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আপাতত: এ কার্ডগুলো আপনাদেরকে দেওয়া হলো। কোন চিন্তা করবেন না। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও আপনাদের প্রতি সরকারের বিশেষ নজর থাকবে। এ সময় উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ হামিদা খাতুন, বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আজহারুল মোজাহীদ সরকার, সাংবাদিক মোস্তফা খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top