ভিয়েতনাম থেকে আমদানিকৃত খাটো জাতের নারকেল চারার চাহিদা বাড়ছে

Phulpur-06.jpg

এম এ মান্নান :
তিন বছরেই গাছে ধরবে খাটো জাতের নারকেল। দিন দিন বাড়ছে এসব নারিকেল চারার চাহিদা। সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে ভিয়েতনাম থেকে আমদানি করা এ চারা বিভিন্ন জেলায় লাগানো হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ইতিমধ্যে ৪ লাখ ৫০ হাজার খাটো জাতের নারিকেল চারা আমদানি করা হয়েছে।যার অধিকাংশ দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রোপণ করা হচ্ছে। তবে ৫ শতাংশ চারা এখনও মজুদ রয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সারা বছর ফল উৎপাদনের জন্য ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’র আওতায় এ চারা বিতরণ করছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে সরকারের ১০ লাখ চারা আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চাষের জন্য খাটো জাতের নারিকেল চারার প্রতি আগ্রহ বাড়ছে কৃষকের। এক একর জমিতে ৭০টি নারিকেল চারা রোপণ করা যায়। তিন বছরের মধ্যে গাছে ফল আসায় এর প্রতি আগ্রহও দিন দিন বাড়ছে। সূত্র জানায়, বরিশাল, বরগুনা, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বাগেরহাট, খুলনা, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় খাটো জাতের নারিকেল গাছ লাগানো শুরু হয়েছে।
এছাড়া বান্দরবান, রাঙ্গামাটি জেলার পাহাড়ি এলাকায়ও এ জাতের গাছ লাগানো হয়েছে। সারা দেশে হর্টিকালচার সেন্টারের মাধ্যমে এ চারা কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। রাজধানীতে আসাদগেট হর্টিকালচার সেন্টার থেকেও এ জাতের গাছ সংগ্রহ করছেন রাজধানীবাসী। জানা যায়, দেশে অতিমাত্রায় ডাব বিক্রি হওয়ায় নারিকেল গাছের ফল বা (বীজ) প্রাপ্তির সংখ্যা দিন দিন কমে আসছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী দেশের ৪ হাজার ৮৭ একর জমিতে ৬২ লাখ নারিকেল গাছ আছে; যা চাহিদর তুলনায় কম। এ পরিস্থিতিতে ভিয়েতনাম থেকে ছোট জাতের নারিকেলের চারা আমদানি করা হয়েছে। এ জাতের ডাব খুবই সুস্বাদু। এছাড়া ফলনও লম্বা জাতের গাছের চেয়ে অনেক বেশি। প্রতি গাছে বছরে গড়ে ১৫০ থেকে ২০০টি ফল ধরে। গাছ রোপণের দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে ফুল ফোটা শুরু হয়। দেশীয় লম্বা জাতের নারিকেল গাছে ফুল আসতে ৭ থেকে ৮ বছর লেগে যায়। ভিয়েতনামের খাটো জাতের ডাবে পানির পরিমাণও অনেক বেশি।
প্রতিটি ডাব থেকে ৩০০ এমএল পানি পাওয়া যাবে। সব ধরনের মাটিতেই এ গাছ লাগানো সম্ভব। তা ছাড়া এ জাতের গাছ লবণাক্ততা অনেক বেশি সহ্য করতে পারে। গাছ খাটো হওয়ায় পরিচর্যাও সহজ। গাছে ওঠা দূরে থাক, মাটিতে বসেই নারিকেল পাড়া যায়। এ জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল নারিকেল থেকেই এর চারা হবে। ভিয়েতনাম থেকে দুই ধরনের খাটো জাতের নারিকেল চারা আনা হচ্ছে। এর একটি হল সিয়াম গ্রিন কোকোনাট। এটি ডাব হিসেবে ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুবই জনপ্রিয়। তবে ফলের আকার কিছুটা ছোট। আরেকটি জাতের নাম সিয়াম ব্লু কোকোনাট। এটিও অতি জনপ্রিয় জাত ও আকারে বড়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম বলেন, দেশে ডাবের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু নারিকেল উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এজন্য বিশেষ এ জাতটি আমদানি করা হয়েছে। বছরে দেশি একটি গাছে ৫০ থেকে ৬০টি নারিকেল ধরলেও আমদানি করা এ গাছে গড়ে ২০০টি নারিকেল ধরবে। বাংলাদেশে তৈরি সবচেয়ে বড় জাহাজটি কিনলো জার্মানি: বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামি জাহাজ ‘এমভি আনসু’ আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি করা হয়েছে। জাহাজটি কিনেছেন জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কো. কেজি এমএস (HS Schiffahrts GmbH & Co. KG MS)। নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনসুর ক্যাপ্টেন পিয়োট বুজনাস্কিকে জাহাজটি বুঝে দেন আনন্দ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আনন্দগ্রুপের চেয়ারম্যান ড. আব্দুল্লাহেল বারী, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক অব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার ও নির্বাহী পরিচালক তারিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ। জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪.২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল। ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শ্লিপওয়েজ লিমিটেড। আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৩৬৫টি জলযান নির্মাণ করেছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়। আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্ক, জার্মানী, নরওয়ে, মোজাম্বিক ইত্যাদি বিভিন্ন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে থাকে।
সূত্র: বিডি টাইম।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top