মাননীয় সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর কাছে আমাদের প্রথম ও প্রধান দাবি একটাই ফুলপুর জেলা চাই

Sheikh-Hasina-and-Sharif-1.jpg

মো. আতিকুর রহমান
মাননীয় সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফ আহমেদের নিকট স্থানীয় সামাজিক সংগঠনসমূহ ও আমাদের প্রথম ও প্রধান দাবি একটাই ফুলপুর জেলা চাই। ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলাটি অনেক আগে থেকেই মহকুমার সদস্য ছিল। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রায় সবগুলো মহকুমাই জেলায় উন্নীত হলেও জেলা হয়নি আমাদের অবহেলিত ফুলপুর। অথচ ফুলপুরের ভৌগলিক অবস্থান, আয়তন, জনসংখ্যা ইত্যাদি বিবেচনায় নিলে ফুলপুর জেলা হওয়ার যোগ্যতা রাখে। আমি মনে করি, বর্তমান সরকারের কাঙ্খিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ফুলপুরকে জেলায় উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি। ইতিহাস থেকে জানা যায়, ভাষা সৈনিক এম শামছুল হক ফুলপুরের উন্নয়নের সিংহ পুরুষ। তিনি ভাষা সংগ্রাম, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে অবহেলিত ফুলপুর-তারাকান্দাবাসীর উন্নয়নে, সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। আজীবন দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করে গেছেন তিনি। ফুলপুরবাসী কোনদিন তাকে ভুলতে পারবে না। তার নাম ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিখা থাকবে । ইতোমধ্যে তার নামের সুবিচার উচ্চ মহল থেকে হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার মন্ত্রীসভায় সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন তারই সুযোগ্য পুত্র শরীফ আহমেদকে। এ যেন এক নতুন ইতিহাস। এতে দলমত নির্বিশেষে ফুলপুর তারাকান্দাকে গর্বিত করেছে। স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর ফুলপুর-তারাকান্দাবাসীর মনের ঐকান্তিক চাওয়া পূর্ণ হয়েছে। সুধীমহল মনে করেন ইতিহাসের এ ধারা ফুলপুর-তারাকান্দাবাসীকে এগিয়ে নিবে আরো বহুদূর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের কাছে সামাজিক সংগঠনসমূহ ও জাতির প্রত্যাশা বহুগুণে বেড়ে গেছে। বিশেষ করে এখন আমাদের চাওয়া একটাই, ফুলপুর জেলা চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে আপনি ফুলপুরবাসীর এ প্রত্যাশা পূরণ করবেন এটা এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি। এ দাবি পূরণের মাধ্যমে রচিত হবে আরেকটি নতুন ইতিহাসের যার স্বাক্ষী থাকবে এলাকাবাসী। আমরা সেই অপেক্ষায় ।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top