এক্সিলেন্টের ছাত্র তম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ল’তে চান্স পেয়েছে

Tomo.jpg

এম এ মান্নান
ময়মনসিংহের ফুলপুর এক্সিলেন্ট স্কুল এন্ড মাদরাসার ছাত্র তামজিদুল আলম তম এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে (ল’তে) চান্স পেয়ে ভর্তির কাজ সম্পন্ন করেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও সে চান্স পেয়েছিল। তম’র বাবা ডা. আশরাফুল অালম ছোটবেলায় তাকে এক্সিলেন্টে ভর্তি করেছিলেন। সে সময়টাতে তিনি নানা কেইস মামলায় জড়ানো ছিলেন। তখন থেকেই তম’র ইচ্ছা ছিল বড় হয়ে সে আইন বিষয়ে পড়বে। আজ তম সত্যিই আইনে চান্স পেয়েছে কিন্তু দু:খজনক হলেও সত্য যে তার বাবাকে সে আইনী সহায়তা দেওয়ার চান্স পায়নি। এর আগেই তম’র বাবা মৃত পিয়ার বক্সের ছেলে ডা. আশরাফুল আলম ইন্তিকাল করেন। ২০১৭ সনের ৬ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত ১১টা ৫৩ মিনিটের সময় ৬২ বছর বয়সে পারকিনসন রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসারত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। ডা. আশরাফুল আলম স্থানীয় পর্যায়ে একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ছিলেন। তার আচার আচরণ ও চালচলনের নীতি আদর্শ চমৎকার, অনুকরণ ও অনুসরণযোগ্য ছিল। তিনি এলাকার একজন মাতাব্বর ছিলেন। বাবাকে আইনী সহায়তা দেওয়ার চান্স না পেলেও তম ভবিষ্যতে সমাজের নিপীড়িত, নির্যাতিত হত দরিদ্র মানুষকে আইনী সহায়তা দিয়ে খেদমত করে যাবেন বলে জানান। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ১১শ ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়েছে। পরীক্ষা দিয়েছিল আরো অনেক বেশি। তম তাদের মধ্যে ২৮৩তম হয়েছিল।
ওর কোন ভাই নেই তবে পারভীন মেরী, লামিয়া লিজা, জাকিয়া অর্থী ও খাইরাতুন হিসান রাবা নামে ৪জন বোন রয়েছে। ওরা সবাই মেধাবী। তম’র মা তাহমিনা আক্তার (৫৫) পূর্ব ধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ‍শিক্ষিকা। তম তার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সকলের নিকট দোয়াপ্রার্থনা করেন।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top