উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে ফুলপুরকে জেলা করার দাবি

Engin-Saleh-Hasan.jpg

এম এ মান্নান :
৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ফুলপুর উপজেলাকে জেলা করার দাবি জানালে প্রধান অতিথি এমপি শরীফ আহমেদ বলেন, আমার নেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকলে আগামীতে ফুলপুরকে জেলা করা হবে, ইনশা-আল্লাহ। উন্নয়ন মেলার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ ও গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম জনগণ তথা প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মাঝে তুলে ধরা হয়। এর পাশাপাশি সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা অবহিতকরণ, এমডিজি অর্জনে সরকারের সাফল্য প্রচার ও এসডিজি কার্যক্রমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা হয়। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ফুলপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৩দিন ব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলা নানা কার্যক্রম আঞ্জাম দেয়ার মধ্য দিয়ে শনিবার রাতে শেষ হয়। ‘উন্নয়নের অভিযাত্রায় অদম্য বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে প্রতিপাদ্য করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, ব্যাংক, বীমা, এনজিও, ইউনিয়ন পরিষদ ও উন্নয়ন সংস্থাসহ মেলায় ৫১টি স্টল বসে। স্টলে বিভিন্ন সেক্টরে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের চিত্র প্রদর্শন করা হয়। সেই সাথে প্রতিটি বিভাগের কর্মকান্ড জনগণের মাঝে তুলে ধরা হয়। সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত প্রতিদিনই ছিল জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এবার মেলার প্রতিটি ইভেন্টে লোকজনের ব্যাপক আনাগোনা ও অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে।
ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেবুন নাহার শাম্মীর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এড. আবুল বাসার আকন্দ, সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৃপ্তি কণা মন্ডল, পৌর মেয়র মো. আমিনুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এমএ হাকিম সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মনোয়ারা খাতুন, ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ একেএম মাহবুব আলম, মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ রওশন আরা বেগম প্রমুখ। এছাড়া সকল দপ্তরের কর্মকর্তা, ইউপি চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের ও শ্রেষ্ঠ ৩ স্টলসহ অংশ গ্রহণকারী স্টলগুলোর মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এতে র‌্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ মোরগের লড়াই, দড়ি খেলা, কুইজ প্রতিযোগিতা, বিতর্ক ও উপস্থিত বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শ্রেষ্ঠ ৩ স্টলের মধ্যে প্রথম পুরস্কার পায় পল্লী বিদ্যুৎ। যৌথভাবে ২য় পুরস্কার পেয়েছে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার অফিস ও উপজেলা সমবায় অফিস আর যৌথভাবে ৩য় পুরস্কার পেয়েছে একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প ও ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া ২০টি ডিপার্টমেন্টকে বিশেষ পুরস্কার ও ৫৯টি ডিপার্টমেন্টকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়েছে।
অবশেষে রাত সাড়ে ৮ টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সমাপ্তি টানা হয় উন্নয়ন মেলার। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য ও গান পরিবেশন করেন, শিল্পী কানিজ সুলতানা মিতু, সারমিন সুমি, উপজেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পী সাফায়েত জামিল সাজু ও নৃত্যশিল্পী চাঁদনী।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top