রোহিঙ্গা মুসলিমদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন মাওলানা এনামুল হক

Phulpur-Pic-Rihingya.jpg

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার থাইংখালীতে মিয়ানমার থেকে আগত নির্যাতিত অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন, বাইতুল আমান ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সেক্রেটারী ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার আল-জামিয়া শামছুল উলূম মাদরাসা ও এতিমখানা বাহেলার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আলহাজ্ব মাওলানা মো. এনামুল হক দামাত বারাকাতুহুম। ১,০৪০ জন রোহিঙ্গার মাঝে তিনি খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন। প্রতিজনকে ৫কেজি চাল, ১কেজি ডাল, ২কেজি আলু, ১কেজি পেঁয়াজ, ১লিটার সয়াবিন ও আধা কেজি রসুন দেওয়া হয়। এ সময় শায়খে বাহেলা মাওলানা এনামুল হকের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন, তানযীমুল উম্মাহ হাফিজিয়া মাদরাসা কক্সবাজার শাখার মুহতামিম বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী হাফেজ মাওলানা রিয়াদ হায়দার, ফুলপুর এক্সিলেন্ট স্কুল এন্ড মাদরাসার প্রিন্সিপাল বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার ফুলপুর প্রতিনিধি মাওলানা এম এ মান্নান, কক্সবাজার সদর নিবাসী বাহেলা মাদরাসার উস্তাদ মুফতী মাহমূদ হাছান হানাফী, সেনা সদস্য এনায়েত, মূসা প্রমুখ।
খাদ্য সামগ্রী বিতরণের পর থাইংখালীর বিভিন্ন মহল্লা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন মাওলানা এনামুল হক। যেখানে পানির বেশি সমস্যা সেসব স্থান চিহ্নিত করে তিনি ৬টি টিউবওয়েল বসানোর ব্যবস্থা নেন এবং পরদিন পুনরায় ওই স্থানে গিয়ে টিউবওয়েল বসিয়ে পানি সরবরাহ নিশ্চিত ও উদ্বোধন করেন।ওই সময় তার সফরসঙ্গীরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তিনি রোহিঙ্গাদের বেশ কয়েকটি মাদরাসা পরিদর্শন করে কিতাব ও তেপায়া তৈরির জন্য নগদ অর্থ প্রদান করেন। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের খাবার দাবারের জন্য মুসলিম অমুসলিম সকল রাষ্ট্র থেকেই অনুদান আসছে কিন্তু এদেরকে দীনী শিক্ষায় এগিয়ে নিতে তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। রোহিঙ্গা মুসলিম বাচ্চাদের শিক্ষা-শিক্ষার বিষয়টিকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি বলেন, এদের জন্য উন্নত শ্রেণী কক্ষ ও বই পুস্তকসহ যাবতীয় শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা নিতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি আরো কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার পাশাপাশি অন্যান্য দাতা গোষ্ঠীর প্রতিও আহ্বান জানান।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top