দশ গ্রামের উন্নয়নের সিঁড়ি হিসেবে এগিয়ে চলছে বৈঠামারী রাস্তার কাজ

Phulpur-Pic29.jpg

রাকিবুল ইসলাম মাহফুজ/ এম এ মান্নান
দশ গ্রামের উন্নয়নের সিঁড়ি হিসেবে এগিয়ে চলছে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়নের ডিগ্রিপাড়া থেকে বৈঠামারী প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত বৈঠামারী রাস্তার কাজ। জানা যায়, স্বাধীনতার ৪৬ বছর গড়িয়ে গেলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বৈঠামারী গ্রামের এই রাস্তায়।এই রাস্তা দিয়ে ডিগ্রিপাড়া, কুষ্টিয়াপাড়া, মৃর্ধাপাড়া, পয়েস্তী, সিঙ্গীমারী, রেহাইতারাপুর, সেনেরচর, মহিষমারী, রামভদ্রপুরসহ প্রায় ১০ গ্রামের মানুষ চলাচল করে থাকেন।অথচ তাদের উন্নয়নে হয়নি কোন রাস্তা।এই এলাকার কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আলহাজ্ব মো. রইছ উদ্দিন এই প্রথম এদিক দিয়ে ওইসব এলাকার উন্নয়নের জন্য একটি রাস্তার কাজ শুরু করেন। ২৯ জানুয়ারি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার প্রায় ৬০% কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। এলাকাবাসি এতে দারুণ খুশি ও আনন্দে উল্লসিত ।বৈঠামারী গ্রামের মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পরে হলেও সচিব রইছ উদ্দিন ভাইয়ের উছীলায় উন্নয়নের সিঁড়ি হিসেবে আমরা একটি রাস্তা পেতে যাচ্ছি। একই গ্রামের আসাদুল হক বলেন, এই হান দেয়া রাস্তা না থাকায় আমার বউয়েরে হাসপাতাল পন্ত নিতারি নাই। সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া বাচ্চা রাইখ্যা আগেই আমার বউ পথে কাসেমপুর বাজারে মইরা গেছে। স্থানীয় শামছুল হক জানান, এই রাস্তা না থাকায় আমরা আমাদের কৃষিজ পণ্য বাজারজাত করতে পারি না। আমাদের গ্রামে একটি প্রাইমারী স্কুল আছে কিন্তু বর্ষা সীজনে এই রাস্তার কারণে ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যেতে পারে না। এছাড়া ভাল জায়গায় আমরা আত্মীয়ও করতে পারি না। আলহামদু লিল্লাহ। এখন সচিবের উছীলায় আমাদের শত বছরের দু:খ কষ্টের অবসান হবে বলে মনে হচ্ছে। অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শওকত আলী বুদু বলেন, অনেক চেয়ারম্যান ও জনপ্রতিনিধি গোজরান হয়ে গেছে। কেউ এ পর্যন্ত এই রাস্তার প্রতি নজর দেয়নি। বৈঠামারী গ্রামের মানুষ খুবই কষ্টে আছে উপলব্ধি করে আমিই প্রথম এর প্রতি গুরুত্ব দিয়ে সাংবাদিক মাহফুজকে নিয়ে সচিব রইছ উদ্দিনকে বার বার বলি রাস্তাটি করে দেয়ার জন্য।পরে সচিবও এর প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মো. ওয়ালিদ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মবিনুল হককে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে এই রাস্তার একটি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়ে রাস্তাটি দ্রুত বাস্তবায়ন করার জন্য নির্দেশ দেন। এলাকাবাসীর সহযোগিতায় রাস্তার কাজ এখন দ্রুত এগিয়ে চলছে। শীঘ্রই শেষ হবে বলে আশা করছি। ময়মনসিংহ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম মো. ওয়ালিদ নিজে পরিশ্রম করে রাস্তাটি সফল বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, সচিব স্যারের সহযোগিতায় আল্লাহর অশেষ রহমতে বৈঠামারী গ্রামবাসীর দূর্ভোগ লাঘবে রাস্তার কাজ এখন অনেকটা এগিয়ে গেছে। বাকি কাজটুকু যেন সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে পারি এর জন্য এলাকাবাসিসহ সকলের দোয়া চাই।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top