প্রেসক্লাবের স্থায়ী উন্নয়নের স্বার্থে প্রেসক্লাব নেতাদের এক হওয়ার আভাস

Phulpur-Pressclub1.jpg

এম এ মান্নান
ফুলপুরের তিন ভিআইপি সাংবাদিক ফুলপুর উপজেলা পরিষদের সামনে চায়ের আড্ডায়। সময় তখন বুধবার দুপুর সোয়া ১২টা। ডান দিক থেকে যদি বলি- তবে প্রথমেই আমাদের সিনিয়র বড়ভাই অকুতোভয় সাংবাদিক সাপ্তাহিক ফুলপুর সম্পাদক দ্যা নিউ নেশন পত্রিকার ফুলপুর প্রতিনিধি মো. হুমায়ূন কবীর মুকুল, মাঝখানে সাপ্তাহিক ফুলতারা সম্পাদক দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ফুলপুর প্রতিনিধি মো. নাজিম উদ্দিন ভাই ও বাম পাশে সাপ্তাহিক ফুলপুর পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও দৈনিক সংবাদের ফুলপুর প্রতিনিধি নুরুল আমিন ভাই। তিনজনই ঐতিহ্যবাহী ফুলপুর প্রেসক্লাবের সাবেক স্বনামধন্য সভাপতি। অত্যন্ত প্রাণবন্তকর পরিবেশে জমে ওঠেছিল প্রবীণ ওই সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের আড্ডা। পাশে থাকার সৌভাগ্য হয়েছিল এ প্রতিবেদকেরও । আলাপ হয় ফুলপুর প্রেসক্লাবের অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নানা বিষয় নিয়ে। আলাপে ওঠে আসে প্রেসক্লাব পরিচালনাকালীন নেতৃত্বদানের নানা তিক্ত অভিজ্ঞতা । আপন যোগ্যতা বলে সবকিছু সামাল দিয়েই ফুলপুরে তারা আজও টিকে আছেন সমহীমায়। তারা মোটামুটি ভাল থাকলেও তাদের প্রাণপ্রিয় সংগঠন সেভাবে নেই। ১৯৮৫ সনে এই প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হলেও আজও প্রতিষ্ঠিত হয়নি কোন প্রেসক্লাব ভবন। চা স্টল, দোকান পাট ও এখানে সেখানে বসে চলে সাংবাদিকের সাংগঠনিক কার্যক্রম। কাটে অতিরিক্ত সময়। বর্তমান এসিল্যান্ড অফিস বাউন্ডারির ভিতরের একটি ঘর এক সময় প্রেসক্লাব ভবন ছিল এবং সাংবাদিকদের টাকায় উহা নির্মাণ করা হয়েছিল বলেও জানা যায়। এটা সরকার নিয়ে যাওয়ার পর উপজেলা অফিস বাউন্ডারির ভিতরে একটি কক্ষ বরাদ্দ পেয়েছিল প্রেসক্লাব। অবশেষে সেটিও হস্থচ্যুত হয়। বর্তমানে ফুলপুর প্রেসক্লাবের নিজস্ব কোন ঘর বা ভবন নেই। এ যেন এক দু:খ। তাছাড়া এই নেতারা সব সময়ই সাধারণ সাংবাদিকদের স্বার্থ ও সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে, তাদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করেছেন বিরতিহীনভাবে ও প্রেসক্লাব চালাতে গিয়ে ভোগ করেছেন নানা লাঞ্ছনা যাতনা ও বেদনা। তারপরও কারো কারো মন পাননি বলে দু:খ প্রকাশ করেন তারা। ফুলপুর সাংবাদিকতা জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র এই তিন তারকা সাংবাদিকের রয়েছে আলাদা ইমেজ ও ওজন ওয়েট। তারা তাদের মেধা মনন ও ওজন ওয়েটকে কাজে লাগিয়ে এক হয়ে কাজ করলে ফুলপুরের বিভিন্ন সরকারী বেসরকারী অফিস আদালতের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাওয়াসহ ফুলপুরকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধশালী করে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মনে করেন স্থানীয় সুধীমহল । তাই তারা সাংবাদিকদের এক ফ্ল্যাট ফর্মে আনার জন্য যুগে যুগে আপ টু বটম চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। সময়ে অসময়ে এভাবে বসেন তারা। কিন্তু তারপরও অদৃশ্য কারণে হতে পারেন না এক। প্রেসক্লাব উন্নয়ন বিষয়ে সম্প্রতি নতুন করে নানা প্ল্যান প্রোগ্রাম ও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। নানা চিন্তা ভাবনা ও জল্পনা কল্পনা চলছে এ নিয়ে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার ফুলপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সভা। পরিবেশ তৈয়ার হলে সাধারণ সাংবাদিকদের বহুমুখী প্রতিভাকে বিকশিতকরণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রেসক্লাবের নিজস্ব ভূমি এবং বিল্ডিং করার স্বার্থে সকল দু:খ বেদনা পিছে ঠেলে এক হয়ে কাজ করতে পারেন এই তিন ভিআইপি সাংবাদিক। স্বল্প সময়ের আড্ডা ও আলোচনায় এমনটিই আভাস পাওয়া গেছে।

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top