মরহুম প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান বিশ্বাসের সাথে কিছুক্ষণ

President2.jpg

এম এ মান্নান
উপমহাদেশের সনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছারছীনা দারুস সুন্নাত আলিয়া মাদরাসা থেকে ১৯৯৫ সনে দ্বিতীয় শ্রেণীতে কামিল হাদীস পাস করার পর ওই বছরের শেষের দিকে সার্টিফিকেট আনতে মাদরাসায় গিয়েছিলাম। আবু বকর সিদ্দিক হলের নিচ তলায় দেখা হয় আমাদের ইংলিশ স্যার শহীদুল্লাহ বাহাদুরের সাথে।বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়নে স্যারের প্রতিষ্ঠিত শালুকা দাখিল মাদরাসার জন্য স্যার তখন একজন ভাল এসিস্ট্যান্ট সুপার তালাশ করছিলেন। আমি তখনও সার্টিফিকেট উঠাতে না পারলেও হালকা ইন্টারভিউ নিয়েই তিনি আমাকে চয়েজ করে ফেললেন। পরে স্যারের ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি।দু’তলা মাদরাসা। প্রায় তিনশ ছাত্রছাত্রী ছিল। সুপার পদ খালি থাকায় আমাকেই দায়িত্ব পালন করতে হয়েছিল। ১৯৯৬ সন।আব্দুর রহমান বিশ্বাস তখন প্রেসিডেন্ট হয়ে যাওয়ায় তার আসন খালি হয়ে যায়। পরে ওই আসনে তার নিজের ছেলে ডা. ইহতিশামুল হক নাসিম বিশ্বাস এমপি নির্বাচিত হন। তিনি বরিশাল সাগরদী হাসপাতালের ডাক্তার ছিলেন। এমপি নির্বাচিত হয়ে দেশে গেলে প্রথমেই গিয়েছিলেন শালুকা দাখিল মাদরাসা মাঠে। সেখানে তাকে গণসংবর্ধনা দেয়া হয়। মানপত্র লিখে আমাকেই পাঠ করতে হয়েছিল মাইকে। জানি না কতটুকু ভাল হয়েছিল, তবে এমপি নাসিম বিশ্বাস কানে কানে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, এটা কে লিখেছে? বলছিলাম, আমি। পরে তিনি আমার পিঠে আদরের হাত বুলিয়েছিলেন।বলছিলেন, খুব সুন্দর হয়েছে। থেংস। সেই তরুণ নেতা ডাক্তার ইহতিশামুল হক নাসিম বিশ্বাস আর নেই। তিনি আরও আগেই ১৯৯৮ সনের দিকে ইন্তিকাল করেছেন। আমার বাড়ির পাশের অতি কাছের দু’জন বন্ধুর বাবা খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে মারা গেলে বরিশাল ছেড়ে একটু কাছে আসার ইচ্ছে প্রবল হয়। এ কারণে বছরখানেক পর সেখান থেকে চলি আসি ঢাকার একেবারে সন্নিকটে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন রূপগঞ্জ উপজেলার মাশরিকী জুট মিলস মাদরাসায়। ওই মিল ও মাদরাসার মালিক ছিলেন, বিএনপি আমলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদারের স্ত্রীর সহোদর ভাই আলহাজ্ব খন্দকার রইছ উদ্দিন আহমেদ।ওই প্রতিষ্ঠানে থাকাকালীন ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম তালুকদার ইন্তিকাল করলে প্রতিষ্ঠাতা খন্দকার রইছ উদ্দিনের একজন স্নেহভাজন হিসেবে তার জানাজা ও কুলখানি দুটো অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছিল। বনানীতে কুলখানি অনুষ্ঠানে তখন ক্ষণিকের পরিচয় হয়েছিল সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুর রহমান বিশ্বাসের সাথে। মুছাফাহার পর তার ছেলে মরহুম ডাক্তার নাসিম বিশ্বাস বিষয়ে কথা হয়। তিনি ছোটবেলায় একজন মাদরাসা ছাত্র ছিলেন। তিনি আমাকে সমীহ করে নাসিম বিশ্বাসের রূহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া চেয়েছিলেন। প্রবীণ এই নেতার রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। এক্সিলেন্ট স্কুল এন্ড মাদরাসায় শনিবার দুপুরে তার রূহের মাগফিরাতের জন্য কুরআন খতম করে দোয়া করা হয়েছে।
Like what is the best topic for research paper potty training, they will eventually get it

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top