প্রভাষক সাইফুলের মৃত্যু অপ্রত্যাশিত — এমপি আমার ভাই ঝামেলা পছন্দ করতেন না — তমাল

Phulpur-Pic41.jpg

এম এ মান্নান
ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফুলপুর মহিলা ডিগ্রী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ের প্রভাষক মোঃ সাইফুল ইসলাম(৫২) আর নেই। তিনি শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তিকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। প্রায় তিনদিন পর সোমবার বাদ আসর ফুলপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে নামাজে জানাজা শেষে তাকে শেরপুর রোডস্থ আল হুমাইরা (রা.) মহিলা মাদরাসা সংলগ্ন পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। তার বাসা গ্রীণ রোডে। জানাজাপূর্ব সমাবেশে আমেরিকা প্রবাসী ছোটভাই তমাল বলেন, আমার ভাই কোন ঝামেলা পছন্দ করতেন না। তিনি নীট এন্ড ক্লীন মানুষ ছিলেন। তার জানাজা শুরু হওয়ার নির্ধারিত সময়ের অনেক আগে থেকেই খেলার মাঠে আসতে মুসল্লীরা রাস্তাঘাটে ভীড় জমায়। জানাজা শেষে ফেরার সময় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগণ জানাজায় উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিতির কয়েকজন হলেন, ১৪৭,ময়মনসিংহ-২(ফুলপুর-তারাকান্দা) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদ, আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক এমপি হায়াতোর রহমান খান বেলাল, ফুলপুর উপজেলা চেয়ারম্যান সাবেক এমপি এড, আবুল বাসার আকন্দ, ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী, ফুলপুর পৌর মেয়র আমিনুল হক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমএ হাকিম সরকার, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, ফুলপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আলী আহম্মেদ মোল্লা, তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ মাজহারুল হক, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ কুতুব চৌধুরী, আওয়ামীলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম, তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক এড. ফজলুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউল করিম রাসেল, সাবেক মেয়র আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ শাহজাহান, ব্যারিস্টার আবুল কালাম আজাদ লিটন, আলহাজ্ব গোলাম ফেরদৌস জিলু, বিএনপি নেতা এড. এনায়েত-উর-রহমান, হেলাল উদ্দিন হেলু, আমজাদ সরকার, মোখলেসুর রহমান ভুলু, এড. ফরিদ আহম্মেদ, ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রাসেল আহাম্মেদ রয়েল প্রমুখ। তার মৃত্যু সংবাদে ফুলপুরজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। জানাজার আগে তার লাশ কর্মস্থল মহিলা ডিগ্রি কলেজে নিয়ে গেলে সেখানে এক হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। কিছুক্ষণ পর লাশ খেলার মাঠে নিয়ে আসা হয়। প্রভাষক সাইফুল ইসলাম মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে (ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র), এক মেয়ে, বাবা, দুইভাই ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বন্ধুবান্ধবরা তার ভুয়ূষী প্রশংসা করেন। মমেক হাসপাতালের হিমাগারে তার লাশ রেখে আমেরিকা প্রবাসী ছোটভাই তমালের জন্য জানাজায় দেরি করা হয়। বক্তব্যে এমপি শরীফ আহম্মেদ বলেন, প্রভাষক সাইফুল ইসলামের মৃত্যু অপ্রত্যাশিত। তিনি তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। এর আগে হাফেজ মাওলানা মুজিবুর রহমান বয়ান করেন। তিনি বলেন, ঘড়ির কাটার ন্যায় আমাদের জীবন চলে যাচ্ছে। তাই অবহেলা না করে কবরের জন্য সময় থাকতে প্রস্তুতি নিতে হবে। সমাবেশ উপস্থাপনায় ছিলেন, জেলা পরিষদের সদস্য আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, কলেজ অধ্যক্ষ বেগম রওশনারা সাইফুল ইসলামকে দায়িত্বশীল উল্লেখ করে বলেন, বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ কাজে এমপির কাছে আমরা তাকে পাঠাতাম। তিনি খুব কর্মতৎপর ও দায়িত্বশীল ছিলেন। আমেরিকা প্রবাসী ছোটভাই তমাল যার জন্য জানাজায় এত অপেক্ষা তিনি বলেন, ২৬ঘন্টা জার্ণি করে ভাইয়ের জানাজা এসে পেয়েছি বলে শোকরিয়া আদায় করছি। আমার ভাই সাইফুল ইসলাম কোন ঝামেলা পছন্দ করতেন না। নীট এন্ড ক্লীন মানুষ ছিলেন। সবশেষে তিনি লেনদেন পরিশোধ করার কথা বলে ভাইয়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সকলের দোয়া প্রার্থনা করেন।নামাজে ইমামতি করেন, মুফতী নজরুল ইসলাম।

And if you’re an ipad user and want full-blown office experience on apple’s tablet, then be sure to give office for ipad a https://www.trackingapps.org shot

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top