ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী’র দুইযুগ পূর্তি : জাতির প্রত্যাশা

mymensingh.jpg

এম এ মান্নান
ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী’র দুইযুগ পূর্তি উপলক্ষে ৭অক্টোবর শনিবার দিনব্যাপী ময়মনসিংহ টাউন হলের এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটরিয়ামে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।গোদারিয়া মাদরাসার মুহতামিম শায়খুল হাদীস আল্লামা আব্দুল খালেক ও নায়েবে মুহতামিম মাওলানা আবুল কাসেমের সাথে সকাল ১০টার দিকে গিয়ে পৌঁছি সম্মেলনে। দেখা হয় পুরানা সহকর্মী মুফতী সাইফুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি মাওলানা গোলাম মাওলা ভুইয়াসহ নতুন পুরাতন অনেক বন্ধুবান্ধবের সাথে। অল্প কিছুক্ষণ পর শুরু হয় মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ-এর আমীর আল্লামা মাহমূদুল হাসানের বয়ান। তিনি বলেন, সেই কামিয়াব বেশি হতে পারে যে ক্ষতির সাইডকে কন্ট্রোল করতে পারে। তিনি আরও বলেন, কাফেরদেরকেও মহব্বতের সাথে দাওয়াত দেওয়া উচিৎ।এরপর বলেন, ইত্তেফাকুল উলামা যেন সারা বিশ্বে উস্ওয়াহ হয়ে যায়।সেই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, কক্সবাজারের উখিয়া থেকে ফিরে আমার যে কি ব্যথা তা বলতে পারব না। যাদের হার্টে দুর্বলতা আছে তাদের সেখানে যাওয়া উচিৎ নয়। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের উলামায়ে কেরাম যে সেবা দিচ্ছেন তা বিরল। পাশাপাশি সরকার যে উদারতার পরিচয় দিয়েছে সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সে পরিচয় দিয়ে যাওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।তিনি মানবতার প্রশ্নে পুরা পৃথিবীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।বক্তব্যে ইরান, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিনের প্রতি ইশারা দিয়ে আল্লামা মাহমূদুল হাসান বলেন, এই সমস্যা দূরে ছিল। এখন কাছে চলে আসছে। আমরা সবাই কালেমা তাইয়্যিবার সদস্য। দেশের সার্বভৌমত্ব হেফাজতের জন্য ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সুন্নাতের প্রতি গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, এই উম্মতের বিজয় নির্ভর করে নবীর সুন্নাতের আমলের উপর। সবশেষে ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী’র নামে সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের রেজি: নেওয়ারও ইত্তেফাক কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি।এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, ভালুকার মাওলানা মামুনুর রশিদ, ফুলপুর গোদারিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল খালেক, তারাকান্দার মাওলানা খাইরুল ইসলাম, ঈশ্বরগঞ্জের মাওলানা নূরে আলম, বালিয়া মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা আইন উদ্দিন, মজলিসে শুরার সদস্য হাফেজ মাওলানা মুজিবুর রহমান, মাওলানা আবুল কাসেম প্রমুখ।দুইযুগ আগে বিদ্যাগঞ্জের মাওলানা নূর মুহাম্মদ, মাইজবাড়ির আল্লামা আরিফ রব্বানী, মাখযানের আল্লামা আব্দুর রহমান হাফেজ্জী, বালিয়ার মাওলানা গিয়াছ উদ্দিন প্রমুখ এই সংগঠনের গোড়াপত্তন করেন।সম্মেলনে তাদের রূহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। উলামায়ে কেরামের ওই মঞ্চে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ পৌরসভার মেয়র ইকরামুল হক টিটু।তিনি বলেন, আমরা দেখছি, সারা বিশ্বে আমাদের মুসলমানদেরকে নিগৃহীত করতে ষড়যন্ত্র চলছে। সর্বাবস্থায় আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ষড়যন্ত্রকে প্রতিহত করব। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের মর্যাদা দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তিনি জালেমদের বিচার দাবী করে অতিদ্রুত সংকট নিরসন কামনা করেন। সবশেষে তিনি এই সম্মেলনের কাছে সমাজ উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাশা করেন। মেয়রের পর বক্তব্য রাখেন, মাওলানা মফিজুল ইসলাম, মাওলানা রশিদ আহমাদ, মাওলানা আমীর ইবনে আহমাদ, মুফতী রঈসুল ইসলাম ও ঢাকার মুফতী নূর হুসাইন কাসেমী। মাওলানা কাসেমী বলেন, ইত্তেফাকের জন্য সবচেয়ে আহাম হলো তাওয়াজু’।যে আমিত্বকে মিটাতে পারে তার দ্বারাই ইত্তেফাক সম্ভব।তিনি বলেন, সেবার মানসিকতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। উত্তম ঐ ব্যক্তি যে মানুষের উপকার করে। উলামায়ে কেরাম ইঞ্জিনস্বরূপ। তারা ভাল থাকলে পুরা সমাজ ভাল থাকবে।তিনি ইমামতে কুবরার প্রতি তাগাদা প্রদান করেন।মুক্তাগাছার মুফতী আক্রাম হুসাইন বলেন, জাতিকে কিছু দিতে হলে ঐক্যের বিকল্প নেই।গৌরীপুরের মাওলানা নাজিম উদ্দিন, ত্রিশালের মাওলানা সাইফুল ইসলাম, জামালপুরের মাওলানা নজরুল ইসলাম, আল্লামা খালেদ সাইফুল্লাহ সাদী, মুফতী আহমাদ আলী, মুফতী মাহবূবুল্লাহ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব ও মুনাজাত পরিচালনা করেন, বালিয়ার শায়খুল হাদীস আল্লামা এমদাদুল হক। বক্তব্যে ফুলপুরের হাফেজ মাওলানা মুজিবুর রহমান ইত্তেফাকুল উলামাকে ইত্তেফাকুল মুসলিমীন ও ইত্তেফাকুল উলামা ময়মনসিংহকে ইত্তেফাকুল উলামা বাংলাদেশ করার প্রস্তাব পেশ করেন। তিনি বলেন, ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই। আমরা অনেক সময় কিছু করতে পারি না ঐক্যের কারণে।এরপর যুহরের নামাজ ও দুপুরের খাবার অনুষ্ঠিত হয়। তারপর হাফেজ সুহাইলের তিলাওয়াত ও হাফেজ ইউসুফ বিন মুনীরের ইসলামী সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে সোয়া ২টায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়।সভাপতিত্ব করেন, ময়মনসিংহ উলামা অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা আব্দুর রহমান হাফেজ্জী। দ্বিতীয় অধিবেশনে নেত্রকোণার মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মরহুম মাওলানা মানসুরুল হকের ছেলে মানাযির, শেরপুরের মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আজিজুল হক, কিশোরগঞ্জের আল্লামা আজহার আলী আনওয়ার শাহ, মাওলানা শফিকুর রহমান জালালাবাদী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মঞ্জুরুল হক, মুফতী ফয়জুল্লাহ, মরহুম শায়খুল হাদীস আল্লামা আজীজুল হকের ছেলে আল্লামা মামুনুল হক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
I hadn’t buy essays considered things like exercising, or how what I ate would affect the experience

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top