ফুলপুরে পপুলার লাইফের গ্রাহকদের মেয়াদ উত্তীর্ণের টাকা না দেওয়ায় পিডি অবরুদ্ধ

Phulpur-Pic29.jpg

এম এ মান্নান
পপুলার লাইফ ইনস্যূরেন্স কোম্পানী লি: এর ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর সার্ভিস সেলের গ্রাহকদের অজান্তে ফরম্যাট লাগিয়ে কেটে রাখা হচ্ছে এক বছরের টাকা। বীমা গ্রাহকদের আমানতের টাকা ফেরত পেতে প্রায় এক/দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও টাকা পাচ্ছেন না হাজার হাজার বীমা গ্রাহক। বীমা করানোর সময় মাঠকর্মীরা গ্রাহকদের দ্বিগুণ টাকা দিবেন বলে উদ্বুদ্ধ করেন। বাস্তবে এক/দেড় বছর ঘুরিয়ে দেড় গুণেরও কম টাকা ফেরত দিচ্ছে কোম্পানীটি। টাকা কম দিচ্ছে আবার ঘুরাচ্ছে। যেন মরার উপর খড়ার ঘাঁ। এরই জের ধরে ফুলপুরে প্রকল্প পরিচালকসহ চার কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটে।জানা যায়, গত মঙ্গলবার ২৬ সেপ্টেম্বর উপজেলার রামভদ্রপুরে কর্মকর্তারা গ্রাহক মিটিং শেষ করে ঢাকা ফিরছিলেন। পথে ভাইটকান্দি মোড়ে পৌঁছলে রাত ৮টার দিকে টের পেয়ে বিক্ষুব্ধ বীমা গ্রাহকরা তাদের পথ রোধ করে এবং একটি ঘরে ঢুকিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। এতে প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো: মোখলেছুর রহমান, ফুলপুর সার্ভিস সেলের সার্কেল প্রধান ও ইনচার্জ মো: সেলিম সরকার, ভাইটকান্দি এলাকার কোম্পানীর এনএ পিডি মো: হুমায়ুন ফরিদ ও শাখা ব্যবস্থাপক মো: নূর আহাম্মদ প্রায় দুই ঘন্টা অবরুদ্ধ থাকার পর এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুক্তি পান। অবরোধকারীদের পক্ষে উপজেলার সখল্যা গ্রামের মোছা: মনোয়ারা খাতুন ও বাঘেরকান্দা গ্রামের বানেছা বেগম বলেন, প্রতিমাসে আমরা একশ টাকা করে দশ বছরে বার হাজার টাকা জমা করেছি কিন্তু আমাদের বীমার মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা টাকা ফেরত পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে ফুলপুর সার্ভিস সেলের সার্কেল প্রধান ও ইনচার্জ মো: সেলিম সরকার জানান, আমাদের এক শাখা ব্যবস্থাপক নূর আহাম্মদ পরিকল্পিতভাবে অবরুদ্ধের এ ঘটনা ঘটিয়েছে। মাঠকর্মীদের অনিয়ম ও সময়মত বই জমা না দেওয়ায় সঠিক সময়ে টাকা ফেরত দেওয়া যায়নি। আল-আমিন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) মো: মোখলেছুর রহমান জানান, ভাইটকান্দি এলাকায় গত কিছু দিনের মধ্যে ৩/৪শ বীমা গ্রাহককে চেক বিতরণ করা হয়েছে। আমাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও মাত্র দুইটি চেকের জন্য মঙ্গলবারের ওই ঘটনা ঘটে।
The lite version only records videos of up to 300 seconds and if you need tick here to investigate longer, then the full version is currently on offer at $4

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top