হাসতে নাকি জানেনা কেউ কে বলেছে ভাই? এই শোন না বিরল হাসির খবর বলে যাই

tasfiq-11.jpg

রোভার তাসফিক হক নাফিও
বাবাকে গুলি করে মেরেছে। মাকেও ধরে নিয়ে গিয়েছিল। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় জঙ্গলে পাওয়া যায়। ডাকলেও সারা দেয়নি। পরে চাচীর সাথে বাংলাদেশে আসে এই শিশু । চাচীর ৪ সন্তান, দুই জন হাঁটতে পারে দুই জন কোলে। তাই বাধ্য হয়ে ছোট বোনকে কোলে নিয়ে ৪ দিন হেঁটে পৌছায় বাংলাদেশে। এখানে এসে ১০লক্ষ লোকের সাথে যুদ্ধ করেতে হয় খাবার সংগ্রহের জন্য। তাই সারাদিন বোনকে নিয়ে এ বিতরণ কেন্দ্র থেকে ওই বিতরণ কেন্দ্রে দৌঁড়াতে হয় তাকে। এসব অসহায় মানুষের বাসস্থান যোগাতে কক্সবাজারের সবুজ পাহাড় এখন কালো পলিথিনের ধুসর গ্রাম। সেখানেই সারাদিন রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ত্রাণ সংগ্রহ করে সুমি। গতকাল দুপুরে সুমির ছোট বোনকে নিয়ে প্রখর রোদে ত্রাণ সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়ায় সে। কিন্তু এতো তাপ সইবে কি করে! তাপ সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করে কাঁদতেছিল অবুঝ শিশুটি। ছোট বোনের কান্না অসহায় চোখে দেখা ছাড়া যেন কিছুই করার ছিল না। তখন আর আবেগ ধরে রাখতে পারলাম না। আমার সাথে থাকা ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সৈজন্যে হেল্ডস ওপেন স্কাউট গ্রুপের দুটি ছাতার একটি দিয়ে দেই তাকে। সেই ছাতার একটু ছায়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পের অসহায় শিশুদের মুখে ফোটে বিরল এ হাসি।
The first can you do my homework novel is called in the blood of the greeks and that is free on my site along with book 2 of the series where shadows linger

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top