ফুটবলার সাবিনার জানাজা বুধবার কলসিন্দুর মাদরাসা মাঠে

2212.jpg

নিজস্ব সংবাদদাতা
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য সম্ভাবনাময়ী সাবিনা খাতুন আর নেই। মঙ্গলবার বিকাল তিনটার দিকে ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই কিশোরী ফুটবলারের মৃত্যু হয়। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। ধোবাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক খাদেমুল ইসলাম নাইম তা নিশ্চিত করেন। জানা যায়, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৫ ক্যাম্প থেকে নিজ বাড়ি ধোবাউড়ার কলসিন্দুরে ফেরেন সাবিনা। কয়েকদিন ধরে তিনি জ্বরে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার অসুস্থ হয়ে পড়লে সাবিনাকে ধোবাউড়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাবিনা মারা যান। সাবিনা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে, ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সসহ উপজেলার নানা শ্রেণী পেশার মানুষ তাকে এক নজর দেখতে হাসপাতালে ছুটে যান। ততক্ষণে সাবিনা বিদায় নেন। চলে যান না ফেরার দেশে। সাবিনার মরদেহ তার প্রতিষ্ঠান কলসিন্দুর স্কুল মাঠে নেয়া হলে তার সহপাঠী ছাত্র-ছাত্রী, সহযোগী ফুটবল-কন্যাসহ হাজার হাজার মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। তার হঠাৎ মৃত্যু যেন কেউ মেনে নিতে পারছিলেন না। ২০১৩ সালে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে ফুটবল জগতে সাবিনার যাত্রা শুরু। এরপর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৪ দলের প্রাথমিক ক্যাম্পে প্রথম ডাক পেয়েছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ বালিকা আঞ্চলিক চ্যাম্পিয়নশিপ টুর্নামেন্টে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশের জাতীয় দলের হয়ে খেলা কিশোরী ফুটবলারদের মধ্যে সাবিনা খাতুন অন্যতম। সাবিনার মৃত্যুতে বাংলাদেশের ফুটবল অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে আসে। বুধবার কলসিন্দুর মাদরাসা মাঠে তার নামাজে জানাজা শেষে তাকে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। সাবিনার রূহের মাগফিরাতের জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে সকলের নিকট দোয়া চাওয়া হয়েছে। এদিকে, সাবিনার পরিবারের প্রতি আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছেন, ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহদী হাসান। তিনি নিহতের পরিবারকে সরকারিভাবে ১০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন । উপজেলা চেয়ারম্যান মজনু মৃধা ৫ হাজার ও জাতীয় সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং ১০ হাজার টাকা প্রদাণের ঘোষণা দেন।
What write my research paper online free was it like to attend graduate school/work in new york city

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top