মৃত্যু অমোঘ নিয়তি বনাম আগে জানাননি কেন?

D-Ganapoti.jpg

নিচের লেখাটি লিখেছেন অধ্যাপক লুৎফর রহমান। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গণপতি আদিত্য উহা শেয়ার করতে চেয়েছিলেন।কিন্তু অপশন না থাকায় তিনি নিজে তার ফেইসবুক আইডিতে লিখে দিয়েছেন- ‘পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক অধ্যাপক লুৎফর রহমান স্যারের ২১সেপ্টেম্বর ২০১৭ পোস্ট থেকে। শেয়ার করার অপশন পাইনি তাই এ প্রচেষ্টা। — গণপতি । এরপর তিনি উপরের শিরোনামটি লিখে নিচের আধ্যাত্মিক অনুভূতিশীল লেখাটি পোস্ট করেন। “মঙ্গলবার দুপুরে আমাদের স্কুলে আমার এক ক্লাশ নীচের শ্রেণীতে পড়ত একটি লোক অনেক দিন পর হঠাৎ আমাকে ফোন করে বলল, ভাই আমার শরীরটা একটু খারাপ, আমার খুব ইচ্ছে আপনাকে একটু দেখাতে চাই। বললাম, তুমি যখন ইচ্ছে চলে এসো। সে বলল, আগামীকাল বুধবার সন্ধ্যার পর আসব। বুধবার ভোর ৫ টার পর কেবল নামাজ শেষ করেছি, হঠাৎ ঐ লোকটির নাম্বার থেকে আমার ফোনে একটি কল আসল। তাড়াতাড়ি ধরলাম, দেখি কি ব্যাপার, এত সকালে ফোন কেন। হয়ত অসুখের কথা বলবে অথবা আজ আসবেনা এটা জানাতে চায়। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে একটি মেয়ের কান্নার শব্দ ভেসে এলো। সে কোন কথাই বলতে পারছেনা। শুধু কাঁদছে আর কাঁদছে। কি হয়েছে, বারবার জিজ্ঞেস করাতে বলল- ওর বাবা যার আজ সন্ধ্যায় আমার চেম্বারে আসার কথা ছিল, সে রাত ১২ টায় হঠাৎ করেই মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি…..রাজিউন)। আমার মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। পরিবারে সবার বিশ্বাস যে, আমাকে আগে দেখালে হয়ত সে ভালো থাকত। হায়রে বোকা মানুষ আর তার অবুঝ মন ও মিথ্যে ধারণা। কি করে ওদেরকে বুঝাব যে যার যখন ডাক আসে তাকে তখনই চলে যেতে হয়। এর কোন বিকল্প নেই। সে রাজাই হোক, প্রজাই হোক, রুগীই হোক বা ডাক্তারই হোক।
কেউ সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহর এ নিয়ম ভাঙতে পারবেনা। ডাক্তারের কোন ক্ষমতা নেই এবং ঔষধের ও কোন শক্তি নেই রোগ ভালো করার। সুস্থ হওয়া না হওয়া, বেচে থাকা বা মরে যাওয়া সব কছু ওই এক জনের ইচ্ছের উপরই নির্ভর করে। অতএব রুগী ভালো হলে ডাক্তারের নয়, আল্লাহর প্রশংসা করা উচিৎ। একই ডাক্তার, একই ধরনের রুগী, একই ধরণের ঔষধ প্রয়োগ করেও একজন ভালো হয়, আরেকজন ভালো হয়না। তাহলে বুঝতেই পারেন রহস্যটি কোথায়।
একজন ডাক্তার যদি তার অর্জিত আধুনিক সকল জ্ঞান ও মেধা অত্যন্ত সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে প্রয়োগ করার পরেও কোন রুগী সুস্থ না হয়, তা হলে ডাক্তারকেও দায়ী করা ঠিক নয়। কেননা সুস্থ করা বা বাঁচিয়ে রাখার মালিক ত একজনই।
ভাবছি আজ যেমন এই মানুষটি এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে আমার চেম্বারে আসার সুযোগ পেলনা, হয়ত হঠাৎ কোন একদিন রুগীরাও অমার চেম্বারে এসে আমাকে না পেয়ে জিজ্ঞেস করবে ডাক্তার সাহেব কোথায়? আমার সহকারী হয়ত তখন বলবে, স্যার ত আজ দুপুরে মারা গেছেন। কেউ হয়ত সংবাদটি শুনে মন খারাপ করবে ও আমার জন্য দোয়া করবে। কেউ হয়ত বিরক্ত হয়ে চলে যাবে। বলবে আগে জানান নাই কেন?
যেহেতু মৃত্যুর গতিরোধ করার ক্ষমতা কোন মানুষেরই নেই, একদিন সবাইকে একই গন্তব্যে চলে যেতে হবে। তাহলে কেন এত হিংসা-বিদ্বেষ? কেন এত প্রতিযোগিতা? কেন এত সংঘাত, মিথ্যে অহংকার ও ঘৃণা?
কেন এত বিভেদ? কেন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে মানুষর সকল মৌলিক অধিকারগুলো? কেন এত অত্যাচার ও হত্যাযজ্ঞ? আসুন আমরা প্রত্যক্ষভাবে কিছু না করতে পারলেও অন্তত অন্যায়ের প্রতিবাদটুকু করি। অত্যাচারীদের ঘৃণা করি। নিপীড়িতদের সাহায্য ও তাদের জন্য দোয়া করি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিন।‘’
With grand theft auto even managing to garner a new audience on ios, I wouldn’t be at all surprised the latest blog article spy cell phone if the same sequence of events emerges once max payne is released to the masses

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top