অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ একই পরিবারের ৩জন এসিডদগ্ধ

acid.jpg

ওমর ফারুক সুমন
হালুয়াঘাট উপজেলার জুগলী ইউনিয়নের কালাপাগলা গ্রামে অনার্স পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ একই পরিবারে তিন সন্তান এসিড সন্ত্রাসীর শিকার হয়েছেন। এরা হলেন, কালাপাগলা গ্রামের আবুল কালামের দুই কন্যা মরিয়ম আক্তার (২২), মহিরন (১২) ও অনার্স পড়ুয়া পুত্র রাসেল(২০)। সুত্র জানায়, ৫ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টার দিকে হালুয়াঘাট সদর ইউনিয়নের রঘূনাথপুর গ্রামের আব্দুল হাই মেম্বারের ছেলে সোহেল ও কালাপাগলা গ্রামের জয়নাল আবেদিনের পুত্র আলামিন মিলে কৌশলে জানালা দিয়ে এসিড নিক্ষেপ করে। পরে তাদেরকে গুরুতর আহত অবস্থায় হালুয়াঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাছলিমা খাতুন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। এ ঘটনায় স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ কামরুল হাসান জানান, প্রায় দুইবছর পুর্বে সোহেলের সাথে এসিড সন্ত্রাসীর শিকার মরিয়মের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মাঝে বনিবনা না হওয়ায় এক পর্যায়ে মেয়ে বাধ্য হয়ে ডিভোর্স দেন। মরিয়মের পরিবার জানান, সোহেল মাদকাসক্ত থাকতো। তার বেপরোয়া জীবন যাপন কখনো পছন্দ করত না মরিয়ম। এমনকি বিয়ের পর থেকেই তাদের মাঝে বনিবনা ছিল না। গত আট মাস পুর্বে মরিয়ম সোহেলকে ডিভোর্স দেন। এর পর থেকেই মরিয়মের পিছু নেয় বখাটে সোহেল। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কামরুল হাসান, হালুয়াঘাট হাসপাতালে যান। রাত তখন সাড়ে দশটা। কর্তব্যরত ডাক্তার তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এর আগে হাসপাতালে যান, হালুয়াঘাট থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ কামরুল ইসলাম মিয়া, হালুয়াঘাট থানার ওসি (তদন্ত) লাল মিয়া, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের হালুয়াঘাট উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ বাবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল হক লিটন প্রমুখ। এ.এস.পি (হালুয়াঘাট সার্কেল) আলমগীর পিপিএম বলেন, এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে।
You can also use words of comparison write essays for money and contrast, such as these similarly, on the other hand, by contrast

Share this post

PinIt
mamannan537

mamannan537

I'm M A Mannan. I'm a founder principal of Excellent School & Madrasah It's new name is Darul Ihsan Qasimia (Excellent) Madrasah. It's situated at Phulpur in Mymensingh. I'm also a journalist. I write in The Daily Tathyadhara, The Dainik Bangladesher Khabor and Bangladesh Pratidin.

scroll to top