জ্বালানী আইন মানছে না হালুৃয়াঘাটের আরফান ফিলিং স্টেশন

1574075793514_0_Arfan-Filling-Stn.jpg

এম এ মান্নান:
বিস্ফোরক অধিদপ্তরের আইন মানছে না ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার নাগলা বাজার সংলগ্ন মেসার্স আরফান ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশন। সরকারের জ্বালানি আইন অমান্য করে তারা দেদারছে বাইরে জ্বালানি তেল বিক্রি করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এতে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনাসহ হুমকিরমুখে রয়েছে পরিবেশ ও সাধারণ জনগণ। সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে এসব স্টেশনের সহযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে অবৈধভাবে গড়ে ওঠেছে জ্বালানি তেলের ভ্রাম্যমান দোকান। পাম্প মালিকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান থেকে স্থাপন করেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। আর এদের সহযোগিতা করে যাচ্ছে কিছু অসাধু পাম্প মালিক, ম্যানেজার ও ক্যাশিয়াররা। সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য অমান্য করে বেশি দরে জ্বালানি তেল বিক্রিসহ মাপে কম দেওয়া ও অবৈধভাবে উপজেলার নাগলা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে ও মোড়ে মোড়ে পানির বোতলে, ছোট প্লাস্টিক পটে ও ড্রামে করে এসব জ্বালানি তেল বিক্রি হচ্ছে, যা বিস্ফোরক অধিদপ্তরের নীতিমালা এবং নির্দেশনা অঅনুযায়ী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও অবৈধ।
এই অনিয়মতান্ত্রিক তেল ব্যবসার মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে পাম্প মালিকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। লাভবান হচ্ছে পাম্প কর্মকর্তা কর্মচারী ও অসাধু ব্যবসায়ীরা। হালুয়াঘাটের নাগলা বাজার সংলগ্ন মেসার্স আরফান ফিলিং স্টেশনের প্রোপ্রাইটর আতিক বলেন, ম্যানেজার শ্যামলসহ অনেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। এতে যে কোন সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা যায়, যে কোন জেলা বা উপজেলার বাজার, প্রতিষ্ঠান এবং বসতবাড়ি এলাকা থেকে কমপক্ষে ৫শ’ গজ দূরত্ব বজায় রেখে তেলের পাম্প স্থাপনের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করার নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। কিন্তু মেসার্স আরফান ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার শ্যামল বিস্ফোরক নিয়ম নীতি অমান্য করে অবাধে বাইরে পেট্রোল বিক্রি করে যাচ্ছেন। নাগলা বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্যে এসব পেট্রোলের ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এতে যে কোন সময় দূর্ঘটনা ঘটাসহ এটি স্থানীয় লোকদের জীবন নাশের হুমকি হতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন। এছাড়া খোলা তেলের বিক্রয়ের ফলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়ে থাকে। দুর্বৃত্তরা তাদের পেট্রোল বোমা বানাতে ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলির উপর নির্ভরশীল। তাছাড়া সামাজিক ঝগড়া বিবাদ ও গৃহবধূ নির্যাতনেরও অন্যতম কারণ এই খোলা তেল বিক্রয়। তাই স্থানীয়রা যেখানে সেখানে পেট্রোল বিক্রি বন্ধসহ এর সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিউজটি অসমাপ্ত।

Top