ডায়নামিক ইউএনওর নিকট ডিজিটাল প্রতারণা ফেল, বাল্য বিয়ে বন্ধ

Child-marriege.jpg

এম এ মান্নান :
ডিজিটাল প্রতারণার মাধ্যমে এগার বছরের শিশু নূপুরকে ঊনিশ বছরের যুবতী বানিয়ে বিয়ে দিতে গিয়ে ফুলপুরের ডায়নামিক ইউএনও মোঃ সাইফুল ইসলামের নিকট ধরা পড়ে অভিভাবক জহিরুল-লাইলী দম্পতি। উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বরইকান্দি গ্রামে শুক্রবার এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নূপুরের বাবা জহিরুল ও মা লাইলী বেগম কাইচাপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলের সাথে তিন মাস আগে বিয়ে রেজিঃ করে রাখে। এরপর গত শুক্রবার নূপুরের বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করে। এরই মধ্যে বিশেষসূত্রে ইউএনও মোঃ সাইফুল ইসলাম বাল্য বিয়ের খবর পান এবং বিয়ে বাড়িতে গ্রাম পুলিশ আশরাফুলকে পাঠালে মেয়ের মা লাইলী মেয়ের বয়স ঊনিশ দাবি করে ভূয়া জন্ম নিবন্ধন কার্ড শো করেন।
পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম বিষয়টি যাচাই বাছাইয়ের জন্য বালিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আজাহারুল মোজাহীদ সরকারকে দায়িত্ব দেন। চেয়ারম্যান কম্পিউটারে সার্চ দিয়ে দেখেন নূপুরের প্রকৃত জন্ম সন ২০০৮। ২০০৮কে স্ক্যানিং করে ২০০০ সাল বানানো হয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রতারণা করে বাল্য বিয়ে দিতে চাইলেও ডায়নামিক ইউএনওর হাতে প্রতারণা ধরা পড়ে অবশেষে ভেঙে যায় বাল্য বিয়েটি। এ ঘটনা এলাকায় টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। এলাকাবাসী বলেন ইউএনও স্যার ঠিকই করেছেন। এ ধরনের প্রতারণা শিশুর জীবন ধ্বংসের কারণ বৈ কি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, যে কোন প্রতারণা মোকাবেলা করে বাল্য বিয়ে রুখতে প্রস্তুত রয়েছে প্রশাসন।

Top