ফুলপুর মহিলা কামিল মাদরাসা রোডের বেহাল অবস্থা

Phulpur-Pic-Madrasah-Road.jpg

এম এ মান্নান
ময়মনসিংহের ফুলপুর মহিলা কামিল মাদরাসা রোড সংস্কারের কাজ শুরু হয়ে থেমে থাকায় ওই রোডে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। দুর্ভোগে রয়েছে ওই এলাকায় বসবাসকারী শতাধিক পরিবার, ফুলপুর মহিলা কামিল মাদরাসার ছাত্রীরা, ফুলপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের ছাত্রছাত্রী ও প্রতিনিয়ত ওই রোড দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীরা। বৃহস্পতিবার বিকালে সরেজমিন ওই রোড পরিদর্শনে গেলে দেখা যায়, সেলিম মাস্টার ও রফিক উল্লাহ ডাক্তারের বাড়ি হতে ফুলপুর মহিলা কামিল মাদরাসা পর্যন্ত রাস্তাটি খনন করে উন্নত ড্রেন নির্মাণের জন্য রড ফিটিং করে রাখা হয়েছে। বর্তমানে কাজ বন্ধ। তবে রাস্তাটির মুখে কোন লাল নিশান বা বিপদ সংকেতের জন্য কোন ইন্ডিকেটর নেই। এতে অপরিচিত লোকজন রাতে দূর্ঘটনার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাস্তা পরিদর্শনের সময় কথা হয় মানিক, জহুরুল হক, রায়হান, মনির ও হাছেনের সাথে। তারা বলেন, আমরা মেয়রের কাছে গেছলাম। মেয়র বলছে, অহন ধান কাডা লাইগ্যা ফরছে। কামলার রোজ ৭/৮শ টেহা। আর কয়ডা দিন যাওগ্যা। পরে কামডা ধরতাছি। বৃদ্ধ হাছেন বলেন, এই রাস্তাডার লাইগ্যা বড় বিপদে আছি আমরা। আইট্যাও যাওন যায় না। ওই রোডের বাসিন্দা ফার্ণিচার ব্যবসায়ী মো. শরীফ বলেন, আমরা চরম কষ্টে আছি। রাইত অইলে জানডা আতো লইয়া আডন লাগে। কারণ, চিলতা পথ দিয়া আডনের সময় গড়ায়া রডের উপর পইরা গেলে মরণ ছাড়া আর গতি নাই। কলেজ রোডের বাসিন্দা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, আইজ কয়ডা মাস ধইরা রোডটা গাতা কইরা ফালায়া রাখছে। একটু বৃষ্টি অইলেই এইন্দা যাওনের আর ভাউ নাই। এইডাও একটা বিজি রোড। তাড়াতাড়ি হারতাত্তো না তে রাস্তাডা গাতা কইরা ফালায়া থইছে কেয়া? ফুলপুর মহিলা কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা শাহ তাফাজ্জল হোসেন বলেন, এই রোডে প্রতিনিয়ত শত শত লোক যাতায়াত করেন। তাছাড়া ছোট বড় আমার অনেক ছাত্রীও যাতায়াত করে থাকে। ওদের দূর্ভোগের বিষয়টি তুলে ধরে আমি মেয়রের সাথে কথা বলেছি। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন ঈদের পর দ্রুত কাজটি ধরা হবে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মেয়র মো. আমিনুল হক বলেন, কাজটা শুরু করতেই ধান কাটা শুরু হয়ে গেছে। ধান কাটা শেষ হতে না হতেই ঈদ এসে পড়েছে। এখন ঈদ শেষ হলো। আর দেরি হবে না। ইনশা-আল্লাহ খুব দ্রুত কাজটা ধরা হবে। এইটা না শুধু যেখানেই জনগণের দূর্ভোগ আছে সেখানেই দূর্ভোগ লাঘবে আমরা কাজ করছি।

Top